প্রসঙ্গ: প্রিয় বাংলাদেশে পয’টনের উদ্দেশ্যে বেড়ানোর মতো আকষ’নীয় স্হানের নাম:
সংক্ষেপে বিভাগ ও জেলাওয়ারী, (পুনঃসংশোধিত) ।
বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের অধীনে মোট ৬৪টি জেলা । বিভাগগুলো হচ্ছেঃ ১। বরিশাল ২। চট্টগ্রাম ৩। ঢাকা ৪। ময়মনসিংহ ৫। খুলনা ৬। রাজশাহী ৭। রংপুর ৮। সিলেট ।
রংপুর বিভাগঃ- মোট ৮টি জেলা নিয়ে রংপুর বিভাগ গঠন করা হয়েছে । জেলাসমূহ হচ্ছেঃ
১। দিনাজপুর জেলা ২। পঞ্চগড় জেলা ৩। ঠাকুরগাঁও জেলা ৪। নীলফামারী জেলা ৫। রংপুর জেলা
৬। গাইবান্ধা জেলা ৭। লালমনিরহাট জেলা ৭। কুড়িগ্রাম জেলা,
১. দিনাজপুর এর – কুঠিবাড়ী, রামসাগর দিঘী, ফুলবাড়ীর স্বপ্নপুরী থীম পাক’ ও চিড়িয়াখানা, কান্তজিউ মন্দির, বড়পুকুরিয়া করলা খনি, পাব’তীপুরের রেলওয়ে ওয়াক’সপ, সৈয়দপুরে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের বদ্ধভূমি,
বিশেষত্বঃ দিনাজপুর এর কাটারীভোগ চাল, চিড়া, পাপড় ভালো, সুমিষ্ট লিচুর জন্য প্রশিদ্ধ ।
২. পঞ্চগড় এর – কাজি চা বাগান, বাংলাবান্দা স্হল বন্দর,
বিশেষত্বঃ পঞ্চগড় এর চা ভালো ।
৩. রংপুর এর – পায়রাবন্দ জমিদার বাড়ী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, তাজহাট জমিদার বাড়ী (বত’মানে যাদুঘর হিসাবে ব্যবহ্ত হচ্ছে), টেপাঠাকুর জমিদার বাড়ী, মন্থনার জমিদার বাড়ী, পীরগাছার দেবী চৌধুরাণীর রাজবাড়ী, ইটাকুমারীর জমিদার শিবচন্দ্র রায় এর রাজবাড়ী, চিকলির বিল, হজরত কেরামত আলী জৌনপুরী (রহঃ) মাজার ও মসজিদ, রংপুর চিড়িয়াখানা, রংপুর মেডিকেল কলেজ, শতবষী’ কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঘাঘট প্রয়াস পাক’, শিরীন পাক’, কাউনিয়ার আনন্দ মঠ, নিসবেতগঞ্জের শতরঞ্জী পল্লী, পাগলাপীরে ভিন্নজগৎ পাক’, আনন্দনগর, রংপুর তুলা গবেষণা কেন্দ্র, কৃষি গবেষণা কেন্দ্র,
বিশেষত্বঃ রংপর এর ইক্ষু, শ্যামপুর চিনিকলের চিটাগুড়, চিনির বাতাসা ভালো, হাড়ি ভাঙ্গা আম, শতরঞ্জি, তামাকের জন্য প্রশিদ্ধ ।
৪. গাইবান্ধা এর – যমুনা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য), ফুলছড়ি বালাসীঘাট (রেলওয়ে ওয়াগন ঘাট), বোনারপাড়া রাণী দেবী চৌধুরাণীর রাজপ্রাসাদের ধ্বংশাবশেষ,
বিশেষত্বঃ গাইবান্ধা এর রসমুঞ্জরী ভালো ।
৫. নীলফামারী এর - নীলসাগর, জলঢাকার তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প,
বিশেষত্বঃ নীলফামারী এর নানাপদের পিঠাপুলি ভালো, গমের জন্য প্রশিদ্ধ ।
রাজশাহী বিভাগঃ- মোট ৮টি জেলা নিয়ে রাজশাহী বিভাগ গঠন করা হয়েছে । জেলাসমূহ হচ্ছেঃ
১। বগুড়া জেলা ২। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ৩। নওগাঁ জেলা ৪। জয়পুরহাট জেলা ৫। পাবনা জেলা
৬। নাটোর জেলা ৭। রাজশাহী জেলা ৮। সিরাজগঞ্জ জেলা,
১. রাজশাহী এর – হজরত শাহ্ মখদুম (রহঃ) মাজার, হজরত শাহ্ দৌলা (রহঃ) ও তাঁর ছেলে শাহ্ আব্দুল হামিদ দানিশমন্দ (রহঃ) মাজার, বাঘার পাঁচশত বছরের সুপ্রাচীন মহলপুকুর দীঘি, বরেন্দ্র যাদুঘর, পদ্মা নদীর তীরস্হ শহর রক্ষা বাঁধ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও আম্রবাগান, বিখ্যাত ফজলী আমের বাগান, পুটিয়া রাজবাড়ী, চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের হজরত নিয়ামত উল্লাহ শাহ (রহঃ) এর মাজার,
বিশেষত্বঃ রাজশাহী এর কালাই রুটি, লিচু, সাগর কলা ভালো, শিল্ক বস্ত্র, ফজলী আমের জন্য প্রশিদ্ধ।
২. নাটোর এর – চলন বিল, দিঘাপতিয়ারা রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ী,
বিশেষত্বঃ নাটোর এর কাঁচাগোল্লা ভালো ।
৩. নওগাঁ এর - পাহাড়পুর বৌদ্ধ-বিহার,
৪. বগুড়া এর – মহাস্হানগড় যাদুঘর, বেহুলা সুন্দরীর বাসরঘর, করতোয়া নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ বগুড়া এর মালভোগ কলা ভালো, কুমড়া বড়ি, দই এর জন্য প্রশিদ্ধ ।
৫. পাবনা এর – চরনবিল, রাজেন্দ্রমোহন জমিদার বাড়ী, পাকশি ব্রিজ, পদ্মা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ পাবনা এর ঘি ভালো, লঙ্গি গামছার জন্য প্রশিদ্ধ ।
৬. সিরাজগজ্ঞ এর – যমুনা বহুমুখী সেতু, যমুনা রিসোট’,
বিশেষত্বঃ সিরাজগজ্ঞ এর মাখন ভালো, ধানশিঁড়ির দই, লুঙ্গি, গামছা এর জন্য প্রশিদ্ধ ।
ঢাকা বিভাগঃ- মোট ১৩টি জেলা নিয়ে ঢাকা বিাগ গঠন করা হয়েছে । জেলাসমূহ হচ্ছেঃ ১। ঢাকা জেলা ২। গাজীপুর জেলা ৩। নারায়নগঞ্জ জেলা ৪। ফরিদপুর জেলা ৫। গোপালগঞ্জ জেলা ৬। কিশোরগঞ্জ জেলা ৭। মাদারীপুর জেলা ৮। মানিকগঞ্জ জেলা ৯। মুন্সিগঞ্জ জেলা ১০। রাজবাড়ী জেলা ১১। শরিতপুর ১২। টাঙ্গাইল জেলা ১৩। নরসংদী জেলা,
১. ঢাকা এর – লালবাগের কেল্লা, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, হোসনী দালান, আহসান মঞ্জিল, চীন বাংলাদেশ মৈত্রী (বুড়িগঞ্জা) সেতু, শাহবাগ জাতীয় যাদুঘর, জাতীয় শিশু পাক’, হাতীরঝিল-বেগুনবাড়ী প্রকল্প এলাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কাজ’ন হল, ভাষা শহীদ মিনার, জাতীয় তিন নেতার সমাধী, মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানা ও সন্নিহিত বোটানিক্যাল গাডে’ন, মিরপুর সামরিক যাদুঘর ও বিমান বাহিনী যাদুঘর, আগারগাঁ বিজ্ঞান যাদুঘর, বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার, বলধা গাডে’ন, জাতীয় সংসদ ভবন, চদ্রিমা উদ্যান, সরোওয়াদি’ উদ্যান ও মুক্তিযুদ্ধের শিখা চিরন্তন, রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবি স্মৃতিস্তম্ভ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার জাতীয় স্মৃতি সৌধ, সাভারের সাদুল্লাপুরের বিরুলিয়া গোলাপ গ্রাম, সাভারের শ্যামপুরের গোলাপ রাজ্য ও তালগ্রাম, সাভারের বাংলাদেশ প্রাণী সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিএলআরআই) লেক, হজরত শাহজালাল আন্তজা’তিক বিমান বন্দরের রানওয়ের পিছনের সুবিশাল ঝিল,
বিশেষত্বঃ ঢাকা এর বাঁকরখানী ভালো, মিরপুর বেনারসী শাড়ীর জন্য প্রশিদ্ধ ।
২. টাঙ্গাইল এর – মহেরা প্যালেস রাজবাড়ী, ধনবাড়ি জমিদার বাড়ী, আনসার এন্ড ভি.ডি.পি একাডেমী, মধুপুরের গড়,
বিশেষত্বঃ টাঙ্গাইল এর মধুপুরের আনারস, পোড়াবাড়ির চমচম ভালো, তাঁতের শাড়ী, লুঙ্গির জন্য প্রশিদ্ধ ।
৩. নরসিংদী এর – উয়রি ও বটেশ্বর গ্রামের প্রত্নতত্ত্ব, ড্রীম হলিডে এমিউসমেন্ট পাক’, মাধবদীর বালাপুর লক্ষন সাহার জমিদার বাড়ী, নবীন সাহার জমিদার বাড়ী, ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের বসতভিটা,
বিশেষত্বঃ নরসিংদী এর কলা, কাঁঠাল নটকন, ড্রাগনফল ভালো, বাবুবাজারের কাপড়ের জন্য প্রশিদ্ধ ।
৪. গাজীপুর এর – ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান, রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট সন্নিহিত এলাকা, “ফেন্টাসী কিংডম” এমিউজমেন্ট পাক’, নন্দন পাক’, বঙ্গবন্ধু সাফারী পাক’, নূহাষ পল্লী, কালিয়াকৈর ঢাকা রিসোট’, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিষ্টিটিউট, কালিগঞ্জের কাছে পলাশ উপজেলার ডাংগা বাজার সংলগ্ন সিধেন সাহার জমিদার বাড়ি,
বিশেষত্বঃ গাজীপুর এর কাঁঠাল, কাজী পেয়ারা ভালো, নানা স্বাদের পিঠাপুলির জন্য প্রশিদ্ধ ।
৫. নারায়নগঞ্জ এর – সিদ্ধিরগজ্ঞ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রুপগজ্ঞের জামদানী শাড়ী পল্লী, ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা, বাংলার তাজমহল, পানাম সিটি, সোনারগাঁ পল্লী যাদুঘর, নবাবগঞ্জ জমিদার বাড়ী, রুপগঞ্জের মুড়াপাড়া রাজবাড়ী, শীতলক্ষা নদী, (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য)
বিশেষত্বঃ নারাযনগঞ্জ এর গেঞ্জি, গামছা ভালো, রুপগঞ্জের জামদানী শাড়ীর জন্য প্রশিদ্ধ ।
৬. মানিকগঞ্জ - এর – সাটুরিয়ার বালিয়াটি জমিদার বাড়ী, শিবালয়ে তেওতা জমিদার বাড়ী, আরিচা-নাটিখোলা, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া বিস্তৃণ’ নৌপথ, (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ মানিকগঞ্জ এর খেজুরের গুড়, মহিষের দুধের দই ভালো ।
৭. কিশোরগঞ্জ এর - ভৈরব সড়ক ও রেল সেতু, সোলাকিয়া ঈদগাহ্ ময়দান, আশুগঞ্জ নদী বন্দর, মেঘনা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ কিশোরগঞ্জ এর দুধের সন্দেশ, তালের বড়া ভালো, বালিশ মিষ্টি ভালো ।
৮. মুন্সিগঞ্জ – এর স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর বাড়ী, অতীশ দিপঙ্করের জম্মস্হান, জমিদার যদুনাথ রায়ের বাড়ী, পদ্মা রিসোট’, জাজিরায় পদ্নাসেতু প্রকল্প এলাকা, আড়িয়াল বিল, দোহারের মৈনাকঘাট, পদ্না নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ মুন্সিগঞ্জ এর ভাগ্যকুলের মিষ্টি ভালো ।
৯. গোপালগঞ্জ এর – বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের সমাধী কমপ্লেক্স,
১০. ফরিদপুর এর খেজুরের গুড়, মৈষের দুধের দই ভালো ।
১১. মাদারীপুর এর খেজুরের রসের নানা পদের বাহরী পিঠাপুলি ভালো ।
চট্টগ্রাম বিভাগঃ- মোট ১১টি জেলা নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগ গঠন করা হয়েছে । জেলাসমূহ হচ্ছেঃ-
১। রাঙামাট পাব’ত্য জেলা ৩। খাগড়াছড়ি পাব’ত্য জেলা ৩। বান্দরবান পাব’ত্য জেলা ৪। চট্টগ্রাম জেলা ৫। ফেনী জেলা ৬। কুমিল্লা জেলা ৭। ব্রাম্মনবাড়িয়া জেলা ৮। চাঁদপুর জেলা ৯। নোয়াখালী জেলা ১০। লক্ষীপুর জেলা ১১। কক্রবাজার জেলা,
১. চট্রগ্রাম এর – বড়তাকিয়ার খৈয়াছড়া ঝরণা, নাপিত্তাছড়া ঝরণা, সীতাকুন্ড চন্দ্রোনাথ পাহাড়
ও ইকোপাক’, মহামায়া রবারডেম প্রকল্প মিরসরাই, বড় দারোগারহাটের বড় কমলদহ ঝরণা, ছাগলকান্ধা ঝরণা, সুপ্তধারা ঝরণা, সহস্র ধারা ঝরণা, ফৌজদারহাট গলফ্ ক্লাব, কুমিরা ঘাট, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত, ক্যাফে ২৪, খেজুরতলা বীচ, ফৌজদারহাট শীপ ব্রেকিং ইয়াড’, ভাটিয়ারী লেক, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, পতেঙ্গা রিং রোড (নিমাণাধীন), চট্টগ্রাম বন্দর (সংরক্ষিত এলাকা তবে পূবা’নুমতি গ্রহণসাপেক্ষে জেটি পরিদশ’ন করা যায়), গোল্ডন সী বিচ, হজরত শাহ্ আমানত (রহঃ) আন্তজাতি’ক বিমান বন্দর, প্রজাপতি পাক’, নেভাল একাডমী, বাঁশখালী ইকোপাক’, ফইল্লাতলী সাগরের পাড় ও ম্যানগ্রোভ বন, অভয়মিত্র ঘাট, চট্রগ্রাম নৃ-তাত্নীক যাদুঘর, রেলওয়ে সদর দপ্তর (সি.আর.বি) ও রেলওয়ে জাদুঘর, ঝাউতলা আবহাওয়া অফিস ও ব্র্যাক এর পাহাড়, ফয়েজলেক ওয়াটার ওয়াল্ড’ এন্ড এমিউসমেন্ট পাক’, চট্রগ্রাম চিড়িয়াখানা, বাটালী পাহাড় (বিজয় স্তম্ভ), জিলাপী পাহাড়, ডি.সি হিল, কর্ণফুলী নদীর উপর শাহ আমানত (রহঃ) সেতু, কালুরঘাট রেল সেতু, ফিরিঙ্গিবাজার ব্রীজ ঘাট/ফিসারী ঘাট (নৌ-পথে ভ্রমনের জন্য), জাতিসংঘ পার্ক, বিপ্লব উদ্যান, সেকেন্ড ওয়াল্ড’ ওয়ার সিমেট্রি, হালদা নদী, কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প সন্নিহিত এলাকা, হজরত শাহ্ আমানত (রহঃ) মাজার, হজরত গরীবুল্লা শাহ্ (রহঃ) মাজার, ফটিকছড়ির হজরত মাইজভান্ডার (রহঃ) দরগাহ্ কমপ্লেক্স, কাপ্তাই ন্যাশনাল ফরেষ্ট, কাপ্তাইয়ের বিলাইছড়ি ধুপপানি ঝরণা, রাঙ্গুনীয়ার শেখ রাসেল এভিয়ারী এন্ড ইকো পার্ক, চন্দ্রোঘোনা কণ’ফুলী কাগজ কল, বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাকৃতিক ঝরণা, ফটিকছড়ির চা বাগান, কর্ণফুলি চা বাগান, খৈয়াছড়া চা বাগান, উদালিয়া চা বাগান, বারমাসিয়া চা বাগান, এলাহীনুর চা বাগান, রাঙাপানি চা বাগান, আছিয়া চা বাগান, নাছেহা চা বাগান, দাঁতমারা চা বাগান, হালদা ভ্যালী চা বাগান, পঞ্চবটি চা বাগান, মা জান চা বাগান, মোহাম্মদনগর চা বাগান, নেপচুন চা বাগান, রামগড় চা বাগান, হজরত শাহ্ মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) মাজার, পারকি বীচ, সাতকানিয়ার চুনতি বণ্য হাতীর অভয়ারণ্য, পটিয়ার ওয়েস্টান’ মেরিন শীপইয়াড’,
বিশেষত্বঃ চট্রগ্রাম এর – মধুবনের মিষ্টি, গণি বেকারীর বেলা বিস্কুট, লবণ, সামুদ্রিক মাছের শুঁটকি ভালো, ফটিকছড়ির মি্টি মরিচ, বাঁশখালীর লিচু, দোহাজারীর পেয়ারা, মেজবানী মাংসের ভোজের এর জন্য প্রশিদ্ধ ।
২. ককস্-বাজার এর - পৃথিবীর দীঘ’তম (প্রায় ১২০ কি.মি দৈঘ্যের) সমুদ্র সৈকত, (ইনানী বিচ, কলাতলী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট, লাবনী পয়েন্ট, ডায়াবেটিস হাসপাতাল পয়েন্ট ইত্যাদি অন্যতম), কক্রেসবাজার বাতিঘর, ডি.সি পাহাড়, মরিচ্চ্যা, হীমছড়ি, বাজারঘাটা বামি’জ মাকে’ট, ডুলাহাজারাস্হ বঙ্গবন্ধু সাফারী পাক’, রামুর সেনানিবাস কতৃ’ক পরিচালিত অবকাশ কেন্দ্র ও বোটানিক্যাল গাডে’ন, গোয়ালিয়াপাড়ার বৌদ্ধ ধমা’বলম্বীদের মন্দির/পেগডা, কুতুবদিয়ার হজরত মালেক শাহ (রহঃ) মাজার, কুতুবদিয়া বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র, মহেষখালির আদিনাথ মন্দির, টেকনাফের বিচ ও নাফ নদীর মোহনা, মাথি’নের কুপ, নারিকেল জিঞ্জিরা খ্যাত সেন্টমাটি’ন দ্বীপ, শাহ্ পরীর দ্বীপ, ছেরাদ্বীপ, বাংলা চ্যানেল খ্যাত সোনাদিয়া দ্বীপ,
বিশেষত্বঃ কক্রবাজার এর সামুদ্রিক শামুক, ঝিনুকের অলংকার, মুক্তা, লবণ, সুপারী, টেকনাফ এর নারিকেল, তরমুজ ভালো, চিংড়ী, লৈট্টা মাছ, মহেষখাইল্লা মিষ্টি পান, সামুদ্রিক মাছের শুঁটকির জন্য প্রসিদ্ধ ।
৩. রাঙ্গামাটি পাব’ত্য জেলা এর – ডিসির বাংলো পাক’, টুকটুক ইকো ভিলেজ, পলওয়েল পাক’, নীলগঞ্জ, রাজবন বিহার, পাহাড় বেষ্টিত কাপ্তাই হ্রদ, চাকমা রাজার রাজবাড়ী, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রব এর সমাধীস্হান, সুবলং প্রাকৃতিক ঝণা’, প্যাদা ডিংডিং, মাটিরাঙ্গা রিজাভ’ ফরেষ্ট, বিলাইছড়ির ধুপপানি ঝরণা, মুপ্পোছড়া ঝরণা, বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি, বরকল, নানিয়ার চর, লংগদু,
বিশেষত্বঃ জামবুরা, আনারস, কাঁঠাল, কলা ভালো, কঠিন-চীবণ (হাতে টানা তাঁতের তৈরী) কাপড়ের জন্য প্রশিদ্ধ ।
৪. বান্দরবান পাব’ত্য জেলা এর – প্রান্তিক লেক, বগা লেক, শৈলপ্রপাত, মেঘলা পাক’, গোল্ডেল টেম্পল, নব-নিমি’ত হদাবাবুর ঘোনার রামজাদি বৌদ্ধ স্বণ’-মন্দির, নীলাচল, চিম্বুক পাহাড়, বিজয়শৃঙ্গ (কেওকারাডং), নীলগিরি, রোমাক্রি খাল, থানচির নাফাখুম ঝরণা, আলিকদম, লামার ডলুছড়ি মৌজার মেরিডিয়ান আম্রপালি আম, কমলা, রাবার বাগান, চিচিং-ফাঁক সুরঙ্গ, কোয়ান্টাম শিশু-কানন ও রিসোট’, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদী (পাহাড়ী খরস্রোতা নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ বান্দরবান পা. জে এর রাবার, কমলা আম্রপালি আম, তামাক ভালো ।
৫. খাগড়াছড়ি পাব’ত্য জেলা এর – কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, আলুটিলা প্রাকৃতিক সুরঙ্গ, গিরিসোভা হ্রদকে ঘিরে সেনাবাহিনী কতৃ’ক পরিচালিত অবকাশ কেন্দ্র, সাজেক ভ্যালী (সেনাবাহিনী কতৃ’ক পরিচালিত একটি অবকাশ কেন্দ্র), নুনছড়ির দেবতা পুকুর, মারিষ্যা ভ্যালী, হাতির মাথা পাহাড়, রিং-ঝরণা, তবলছড়ি ঝরণা, হাজাছড়া ঝরণা, তাইন্দুছড়া ঝণা’, রিছাং ঝণা’, দীঘিনালার তৈদুছড়া ঝণা’, চেঙ্গী নদী (পাহাড়ী খরস্রোতা নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ খাগড়াছড়ি এর মসল্লা বিশেষ করে হলুদ প্রশিদ্ধ ।
৬. কুমিল্লা এর – ধম’সাগর, কবি নজরুল ইসলাম যাদুঘর, কোটবাড়ী পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, শালবন বৌদ্ধ বিহার, রুপবান মুরা, ইটাখলা মুরা, নুরজাহান ইকো পাক’, ব্লু- ওয়াটার পাক’, লালমাই পাহাড়, ময়নামতির সেকেন্ড ওয়াল্ড’ ওয়ার সেমিট্রি, দাউদকান্ধীর মেঘনা-গুমতী নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ কুমিল্লা এর মাতৃভান্ডারে রসমালাই, পেড়া ভালো, কারু পণ্য, খাদি খদ্দর বস্ত্রের জন্য প্রশিদ্ধ।
৭. চাঁদপুর এর – নদীবন্দর, পদ্না-মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর সঙ্গমস্হল, পুরাতন রেলওয়ে ষ্টেশন, হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ, হামকান্তি মন্দির,
বিশেষত্বঃ চাঁদপুর এর ঐতিহ্যবাহী ক্ষির, পদ্নার ইলিশ সহ হরেকরকম মাছের জন্য প্রশিদ্ধ ।
৮. ফেনী এর – মান সিংহের দীঘি, মুহুরী সেচ প্রকল্প, ফেনী ও মাতামুহুরী নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ ফেনী এর মহিষের দুধের ঘি, খন্ডলের মিষ্টি ভালো ।
৯. নোয়াখালী এর – চর হাতিয়ার, নিঝুম দ্বীপ, চর আলেকজান্ডার, সুবণ’ চর,
বিশেষত্বঃ নোয়াখালী এর নারিকেল, শুপারী, নারিকেলের নাড়ু, পিঠাপুলি ভালো,
১০. লক্ষীপুর এর – সুপারী ভালো, হাতিয়া এর মৈষের দুধের পনির, মাখন ভালো ।
ময়মনসিংহ বিভাগঃ মোট ৪টি জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠন করা হয়েছে ।
জেলাসমূহ হচ্ছেঃ ১। ময়মনসিংহ জেলা ২। শেরপুর জেলা ৩। জামালপুর জেলা ৪। নেত্রোকোনা জেলা,
১. ময়মনসিংহ এর – কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশালে কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, গজনী অবকাশ কেন্দ্র, শিল্পাচায’ জয়নুল আবেদিন পাক’, মধুটিলা ইকোপাক’, গাড়োপাহাড়,
২. জামালপুর এর - ছানার পোলাউ, ছানার পায়েস ভালো, মুক্তাগাছার মন্ডা ভালো ।
৩. নেত্রকোনা এর বালিশ মিষ্টি ভালো ।
সিলেট বিভাগঃ- মোট ৪টি জেলা নিয়ে সিলেট বিভাগ গঠন করা হয়েছে ।
জেলাসমূহ হচ্ছেঃ ১। হবিগঞ্জ জেলা ২। সুনামগঞ্জ জেলা ৩। সিলেট জেলা ৪। মৌলভীবাজার জেলা,
১. সিলেট এর - হজরত শাহ্ জালাল (রহঃ) মাজার, হজরত শাহ্ পরান (রহঃ) মাজার, শাহজালাল বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চিড়িয়াখানা, সুরমা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য), লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, তামাবিল, জাফলংয়ের সংগ্রামপুঞ্জি ঝরনা, লালখাল, বিছানাকান্দি নদী, হাকালুকির হাওর, রাত্তারগুল, সোয়াম্প ফরেষ্ট, ভোলাগঞ্জের পাথর কোয়ারী, উতমাছড়ার পাথররাজ্য, জাকীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, যাদুকাটা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ সিলেট এর কমলালেবু, আনারস ভালো, চা এর জন্য প্রশিদ্ধ ।
২. সুনামগঞ্জ এর - শিমুল বাগান, হাসন রাজার মিউজিয়াম, নিলাদ্রী লেক, বাড়ীক টিলা, ধম’পাশা
ও উজিরপুরের টাঙ্গুয়ার হাওর, হিজল বন, জাদুকাটা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ সুনামগজ্ঞ এর কমলা, বাতাবী লেবু ভালো, চা এর জন্য প্রশিদ্ধ ।
৩. মৌলভীবাজার এর - শ্রীমঙ্গলের চা বাগান, হামহাম ঝরণা, শমশেরনগর ডানকান লেক, হাইল-হাওরের বাইক্কার বিল, মাধবপুর লেক, মাধবকুন্ড প্রাকৃতিক ঝরণা, মাগুরছড়া ন্যাশনাল পাক’,
বিশেষত্বঃ মৌলভীবাজার এর কমলালেবু, ম্যানেজার ষ্টোরের রসগোল্লা ভালো, চা এর জন্য প্রশিদ্ধ ।
৪. হবিগঞ্জ এর – চুনারুঘাট ন্যাশনাল পাক’, চুনারুঘাট বেমাকালেঙ্গা বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, বানিয়াচং রাজবাড়ী, মহারত্ন জমিদার বাড়ী, কমলারাণীর সাগর দিঘী, শ্রীবাড়ি চা বাগান, তেলিয়াপাড়া চা বাগান, বিতঙ্গলআখরা (বৈষ্ণব ধমা’বলম্বীদের তীথ’স্হান), শংকরপাশা
শাহী মসজিদ,
বিশেষত্বঃ হবিগঞ্জ এর বাঁশ, চা, রাবার, পাতি লেবু, কাঁঠাল, আনারস, নাশপাতি ভালো,
খুলনা বিভাগঃ- মোট ১০টি জেলা নিয়ে খুলনা বিভাগ গঠন করা হয়েছে ।
জেলাসমূহ হচ্ছেঃ ১। বাগেরহাট জেলা ২। খুলনা জেলা ৩। চুয়াডাঙ্গা জেলা ৪। যশোহর জেলা
৫। ঝিনাইদহ জেলা ৬। কুষ্টিয়া জেলা ৭। মাগুরা জেলা ৮। মেহেরপুর জেলা ৯। নড়াইল জেলা
১০। সাতক্ষীরা জেলা,
১. খুলনা এর – সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট, নিউজপ্রিন্ট মিল, লড’ হাডিং রেলসেতু,
বিশেষত্বঃ খুলনা এর নারিকেল, গলদা চিংড়ি, সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ, মধুর জন্য প্রশিদ্ধ ।
২. বাগেরহাট এর – খাঁন জাহান আলী (রহঃ) এর মাজার, ষাট গুম্বুজ মসজিদ, মংলা সমুদ্র বন্দর, শ্যালা নদী, চিত্রা খাল, চিত্রা সুন্দরী বন, হরিণঘোনা, চানপাই রিজাভ’ ফরেষ্ট, হার-বাড়িয়া, কঁচিখালী, কটকা, দুবলার চর,
বিশেষত্বঃ বাগেরহাট এর মধু, চিংড়ি, সুপারী ভালো, গেওয়া সাতক্ষীরা এর দুধের সন্দেশ ভালো, সুন্দরবনের গোলপাতা ও কাঠের জন্য প্রশিদ্ধ, ।
৩. যশোহর – এর- ঝিগরগাছা ফুলের রাজধানী খ্যাত গদখালী, শশা’, জামতলা ফুল বাজার, বেনাপোল, চাঁচড়া মন্দির, কেসবপুরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে কবি মাইকেল মধুসুদন দত্তের বসতভিটা,
বিশেষত্বঃ যশোহর এর খেজুরের রস, পাঁটালী গুঁড়, বিন্নিধানের খৈ ভালো, জামতলার মিষ্টির জন্য প্রশিদ্ধ ।
৪. কুষ্টিয়া এর – লালন শাঁই এর আখরা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ী, মীর মোসার্রফ হোসেনের বসতভিটা, সেতাবগঞ্জ চিনিকল, গড়াই নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য),
বিশেষত্বঃ মেহেরপুর এর মি্ষ্টি সাবিত্রি, রসকদম্ব ভালো, তিলের খাজা, পোড়াবাড়ীব চমচম ভালো, ঝালকাঠি এর লবন ভালো,
৫. মাগুরা এর - রাজা সীতারাম রায়ের প্রাসাদ, তোয়াজউদ্দিন শাহ্ এর মাজার, শ্রীপুরে কবি কাজী কাদের নেওয়াজের বসতভিটা,
বিশেষত্বঃ মাগুরা এর রসমুঞ্জরী ভালো ।
৬. মেহেরপুর এর - মেহেরপুরের আম্রবাগান ও স্বাধীনতা যুদ্ধের যাদুঘর,
৭. নড়াইল এর পেড়ো সন্দেশ, খেজুরের গুড়ের জন্য প্রশিদ্ধ ।
বরিশাল বিভাগঃ- মোট ৬টি জেলা নিয়ে বরিশাল বিভাগ গঠিত হয়। জেলাসমূহ হচ্ছেঃ
১। বরিশাল জেলা, ২। বরগুনা জেলা, ৩। ঝালকাঠী জেলা, ৪। পটুয়াখালি জেলা, ৫। পিরোজপুর
জেলা ও ৬। ভোলা জেলা ।
১. বরিশাল এর– দুগা’সাগর দীঘি, শাপলা বিল শাতলা,
বিশেষত্বঃ বরিশাল এর আমড়া প্রশিদ্ধ ।
২. পটুয়াখালী এর – পায়রা নদী বন্দর, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, পায়রা নদী (নৌ-পথে ভ্রমণের জন্য)
বিশেষত্বঃ পটুয়াখালী এর নারিকের, সুপারী ভালো ।
৩. পিরোজপুর এর- নাজিরপুর ভাসমান সবজির হাট, স্বরূপকাঠির ভাসমান পেয়ারা বাজার,
বিশেষত্বঃ পিরোজপুর এর নারিকেল, সুপারী, আমড়া, স্বরপকাঠির পেয়ারা ভালো ।
৪. ভোলা এর - চর কুকরি মুকরি, চর মনপুরা,
বিশেষত্বঃ ভোলা এর নারিকেল, মহিষের দুধের দই, সন্দীপ এর তরমুজ, বাঙ্গি, ভালো,
ব্যক্তিগত জিনিসপত্র যা সঙ্গে নেওয়া অত্যাবশ্যকঃ
কাধে সহজে বহনযোগ্য বা চাকাযুক্ত একটি ব্যাগেঃ ১. একটি ডিজিটাল (ডি.এস.এল.আর) ক্যামেরা ২. মোবাইল ফোন ৩. মোবাইল ও ক্যামেরার ব্যাটারী চাজা’র ৪. চশমা, ৫. সানগ্লাস ৬. ঘড়ি ৭. কম্পাস ৮. কলম ৯. দূরবিক্ষণ যন্ত্র ১০. দূরত্ব ও স্হান বুঝে পযা’প্ত নগদ ভাংটি টাকা ১১. ক্রেডিট কাড’(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ১২. ক্যামেরার ম্যামরী কাড’/এস.ডি কাড’, ১৩. ল্যাপটপ কম্পিউটার ১৪. ইন্টানেট মডেম ১৫. টচ’লাইট ১৬. ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত ডায়রী ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ১৭. একখানা ফল্ডিং ছাতা ১৮. গেঞ্জি, আন্ডাওয়ার, তোয়ালা, রুমাল, টি-শাট’, ট্রাউজার, প্যান্ট, শাট’ ১৯. ত্রি-কোয়াটার প্যান্ট ও বেল্ট, ২০. ছোট ছুরি ও নেইলকাটার, ২১. ম্যাপ ২২. লজেন্স ২৩. দিয়েশলাই ২৪. জীবন রক্ষাকারী কিছু অতি-প্রয়োজনীয় ঔষধ, ২৫. স্যালাইন ২৬. টুথপেষ্ট ২৭. টুথ ব্রাশ, সেভিং রেজর ও ফোম, ২৮. এক জোড়া কেটস্,+স্পঞ্জ ২৯. পাওয়ার ব্যাঙ্ক, ৩০. গরম পোশাক, কম্বল (শীত মৌসুমে) ৩১. বালিশ, মশারী, মোমবাতি, ৩২. তাবু, দড়ি, শক্ত বাঁশের লাঠি (পাহাড়ে
ও জঙ্গলে ভ্রমণকারীদের জন্য) ইত্যাদি উপকরণ সঙ্গে নিতে ভূল করবেন না । সবাইকে ধন্যবাদ ।