আইন-শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধ(দ্রুত বিচার) আইন,২০০২
১১তম বিজেএস প্রিলিমিনারীর জন্য
১. এই আইন ২০০২ সালের ১১নং আইন, এই আইনে ধারা রয়েছে ১৫টি।
২.এই আইন অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং কার্যকর হওয়ার তারিখ হতে সতেরো(১৭) বৎসর বলবৎ থাকবে।
৩. এই আইনের ২(খ) ধারায় আইন-শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধের ( ৭টি অপরাধ) সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
৪.এই আইনের অধীনে অপরাধ/অপরাধ সংঘটনে সহায়তা/ মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়েরের শাস্তি হচ্ছে অনূ্্যন ২ বছর এবং অনধিক ৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড।
৫. ৮ ধারা অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে দ্রুত বিচার আদালত গঠিত হবে।
৬.অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্তৃক ধৃত হলে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আদালতে হাজির করবে এবং পরবর্তী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট পেশ করবে, আদলত রিপোর্ট পাওয়ার তারিখ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে।
৭.অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে ধৃত না হলে অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পুলিশ আদালতে রিপোর্ট দাখিল করবে এবং আদালত রিপোর্ট পাওয়ার পরবর্তী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে।
৮.আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রে আদালত আসামীকে হাজির হওয়ার জন্য ১ টি বাংলা দৈনিকে প্রজ্ঞাপন দিবে এবং ৭ দিনের বেশি সময় দিবেনা।
৯.এই আইনের অধীনে অপরাধসমূহ আমলযোগ্য হবে।
১০. রাস্ট্রকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে অাদালত বা ক্ষেত্রমত আপীল আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তির আদেশ দিতে পারবে।
১১. দ্রুত বিচার আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে এখতিয়ার সম্পন্ন দায়রা আদালতে আপীল করতে হবে।
আইন বিগ্ন অপরাধ
0
March 22, 2017