সংক্রান্তি, প্রিয়জন, পরিবার

বাড়িতে আসছিলাম ৭-৮ তারিখের দিকে। ১০ তারিখ সংক্রান্তি।  তারচেয়ে বড়কথা হলো ইন্ডিয়া থেকে মেজ-পিসি,পিসামাশয়, ছোট-পিসি, বান্টি ফুলকাক্কু, সেজ-কাক্কু, কাকীমনি, মুনাই আর একমাত্র কাকাতো ভাই "বিরাজ" তারা আইসে। বিরাজের ১৪মাস বয়স।

সংক্রান্তির আগে তাদের সাথে দেখা করলাম শায়েস্তাগঞ্জে (পিসির-বাড়ি)।
তারপর সাতবর্গে চলে এলাম সবাই। শীতের মধ্যে প্রায় কষ্ট করেই থাকলাম আমরা।

বেড়া-ঘড় উপভোগ করতে গেলাম ঘিলাতলী। রাতে পিকনিকের নাম করে মাংস খাওয়া হল।

পরদিন পিসি সহ আমরা সবাই সংক্রান্তিরর লোট  এ গেলাম সবাই। রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি যেতে হলো।

সেজ-কাক্কু তারার এইবার দেশে আশা কারণ হল, বিরাজের মানসি ছিলো।  সেজন্য কাক্কু ১০০টা কদ্মা কিনে আনসে। এবার আমাদের বাড়িতে দেয়া হয় বেশী পরিমানের লোট।

দাদুকে সবার মাঝে রেখে ঘোড়ে ঘোড়ে বাবা,কাক্কু, পিসি, আর গ্রামের সবাই কীর্তন করল।

সংক্রান্তির পরদিন আমাদের বাড়িতে শায়েস্তাগঞ্জের পিসি, পিসামাশয় আর বড় বউদি এলো।
আমাদের রাতের খাবারের নিমন্ত্রণ ছিলো অরবিন্দু মামার বাড়িতে। আমরা ১৯ জন গিয়ে খেয়ে আছসি।

পুকুরে সেজকাক্কু, ফুলকাক্কু, কনাকাক্কু তারা সবাই মাছ ধরলো ইচ্ছেমত। সেই মাছ রাতে বিন্নি ভাতের সাথে খেলাম।

এবার ইন্ডিয়ার সবাইকে বাবা কাপড় কিনে দিলো। টেংরা মাছ দিয়ে রাতে খেলাম সবাই। আজকে সকাল ৭টায় রওয়ানা দিলো সবাই।
সকাল ১১টার দিকেই সবাই পৌছে গেছে।

পিসি-পিসামাশয় আর বউদি আজকে বিকালে চলে যাবে।
কালকে Sristy (ভাগ্নি)  কে চুনারুগাট দিয়ে আমি চলে যাব সিলেট।

আমি যখন এই লেখাটা লিখছি.. তখন দুপুর প্রায়। বাসার চাদে রোদ পোহাই। আজকে আবার আমার জন্মদিনও। 

মোবাইলে ফেইসবুকে উয়িশ গুলার রিপ্লে দিচ্ছে। আর উপভোগ করছি। এবার ভেবেছিলাম, আমি যে মেসে থাকি সবাই কে খাওয়াবো এই জন্মদিনে। কিন্তু প্রতিবারের মত এবারেও আমি বাড়িতে।
আসলে জানুয়ারি মাসে নতুন ক্লাস শুরু হয় বলে বাড়িতে থাকা পরে যায়.. স্পেশালি জন্মদিনের দিনটাতেও। তাই বলে আমার আফসোস হচ্ছে না.. বড়ং বাড়িতে থাকার কারণে মা-বাবাকে পাশে পাচ্ছি... মায়ের রান্না করা খাবার খেতে পারছি...  এটাই ভাল লাগে সবসময়।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.